Govt. Job Related Notice

In reply to a question by the government member Morshed Alam, the State Minister for Social Welfare, Ismat Ara Sade, in response to a question asked by the public administration minister Syed Ashraful Islam. The State Minister said that the number of vacant posts in the government offices, ministries and departments of the country is 3,59,561.

In response to a written question from Golam Dastagir Gazi of Govt. Party, Ismat Ara Sadek said that the number of vacant posts in the first class (9th to the 9th) is 48, 246, in the second category (10 to 12th grade), the number of vacancies is 54, 294, in the 3rd class (13th 17th grade) Number of vacancies is 1 lakh 82 thousand 737 and 4th grade (18 to 20th grade).

সরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরির নিয়োগে বেশ কয়েক বছর বিনা মূল্যে আবেদনের সুযোগ ছিল। তবে এখন থেকে সেই সুযোগ বাতিল করে ২০০ টাকা ফি বসাচ্ছে ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি সচিবালয় (বিএসসিএস)। এই ফি আদায় জটিলতায় আটকে ছিল পাঁচ হাজারের বেশি পদে নিয়োগ। সে জটিলতার অবসান হওয়ার কথা জানিয়ে বলা হয়েছে, শিগগিরই নিয়োগের বড় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হবে। ৪০ ধরনের পাঁচ হাজারের বেশি পদে নিয়োগের জন্য সমন্বিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

বিএসসিএসের মাধ্যমে সবচেয়ে বড় সার্কুলার আসে ২০১৭ সালে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সাত হাজারের বেশি পদে স্বচ্ছ ও মেধার ভিত্তিতে নিয়োগের সুপারিশ পেয়েছেন চাকরিপ্রত্যাশীরা। ২০১৮ সালেও চার হাজারের বেশি পদে নিয়োগপ্রক্রিয়া চলেছে। এবার পাঁচ হাজারের বেশি পদে বড় নিয়োগ সার্কুলার আসবে।

বিএসসিএস সূত্র জানায়, ২০১৯ সালে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির শূন্যপদে নিয়োগের চাহিদাপত্র এসেছে। সাধারণত নতুন বছর শুরুর পর মার্চ কিংবা এপ্রিলে ব্যাংক চাহিদাপত্র পাঠায় আর সেই চাহিদাপত্র পেয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। চাকরিপ্রত্যাশীদের একটি অংশের উচ্চ আদালতের রিটের কারণে ২০১৭ ও ২০১৮ সালে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ঝুলে যায়। তবে চাকরিপ্রত্যাশীদের আবেদন ও ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তড়িঘড়ি ফল প্রকাশ করতে গিয়ে ২০১৯ সালে নিয়োগ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। সূত্র বলছে, মূলত ফি আদায়, শূন্যপদে সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চাহিদাপত্র একসঙ্গে না পাওয়ায় জটিলতা বেড়ে যায়।

চাকরিপ্রত্যাশী বেকারদের ওপর বাড়তি চাপ কমাতে সরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগে আবেদনে ২০১৫ সালে ফি প্রথা তুলে দেওয়া হয়েছিল। এ প্রথা বাতিল করলে স্বাগত জানান চাকরিপ্রত্যাশীরা। তবে আবারও ফি বসানোর সিদ্ধান্তে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তাঁদের। কেউ কেউ আবেদনে ফি না বসানোর পক্ষে বললেও ফি নেওয়ার বিষয়টিকেও যৌক্তিক বলছেন অনেক চাকরিপ্রত্যাশী।

সরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগপ্রক্রিয়া দেখভাল করার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি সচিবালয়ের মতে, নিয়োগপ্রক্রিয়ায় অপচয় কমাতে ফি বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিনা মূল্যের সুযোগ থাকায় পরীক্ষায় না বসলেও একটি অংশ আবেদন করে। আর সব আবেদনকারীকে ধরেই পরীক্ষা টেন্ডার নেওয়া হয়। এতে বাড়তি ব্যয় হয়। তবে ফি বসানো হলে সত্যিকারের চাকরিপ্রত্যাশী বাছাই, যাঁরা পরীক্ষায় বসতে চান তাঁরাই আবেদন করবেন। এতে পরীক্ষার ক্ষেত্রে ব্যয়ও কমে যাবে।

বিএসসিএস সূত্র জানায়, চাকরিপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে প্রতিটি আবেদনে ২০০ টাকা করে ফি নেওয়া হবে। মোবাইল ব্যাংকিং রকেটের মাধ্যমে এই ফি  নেওয়া হবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ও রকেটের মধ্যে কাল ২৭ নভেম্বর একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা। এই চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকে নতুন নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ শুরু হবে।

চাকরিপ্রত্যাশীর আবেদনের ফি থেকে নৈর্ব্যক্তিক, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ব্যয় নির্বাহ হবে। মেটানো হবে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, পত্রিকায় ফল প্রকাশ কিংবা কোনো সংশোধনী প্রকাশের ব্যয়ও। সরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পরীক্ষার সব ব্যয়ের অর্ধেক বাংলাদেশ ব্যাংক ও নিয়োগ দেওয়া ব্যাংক বহন করত।

ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি সচিবালয়ের সহমহাব্যবস্থাপক আরিফ হোসেন খান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আবেদনে এবার থেকে ফি আরোপ করা হচ্ছে। এই ফি আদায় নিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশে বিলম্ব হচ্ছিল। তবে এখন সব সমস্যার সমাধান হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই ৪০ ধরনের পদে নিয়োগ দিতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হবে। পর্যায়ক্রমে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হবে। ফি নেওয়ার জন্য সফটওয়্যার সিস্টেম উন্নয়ন করা হয়েছে।’

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের এক সার্কুলারের মাধ্যমে ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি গঠন করা হয়। ওই বছরই ৩০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগ-১-এর সার্কুলারে রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির নিয়োগে যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ে ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি সচিবালয় (বিএসসিএস) গঠিত হয়।

এই সচিবালয় সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংক, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক, বিশেষায়িত বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক, আনসার-ভিডিভি উন্নয়ন ব্যাংক, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক এবং সরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন ও ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশে (আইসিবি) নিয়োগে প্যানেল সুপারিশ করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *